1. eliusmorol@gmail.com : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ
  2. rahadbd300@gmail.com : rahad :
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

।।সিনহা হত্যা মামলার রায়ঃ ওসি প্রদীপ কুমার দাস ও লিয়াকত আলীর ফাঁসির আদেশ এবং ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।।

মো: ইলিয়াস হোসেন
  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩২৭ বার সংবাদ টি দেখা হয়েছে

       ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট।। 

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া উপ-পরিদর্শক নন্দ দুলালসহ ছয় জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ৩টায় কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় দেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, এ হত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত। হত্যায় পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপ-পরিদর্শক নন্দ দুলালের ভূমিকা সক্রিয় প্রমাণিত।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা আসামিরা হলেন, প্রদীপের দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত ও বরখাস্ত কনস্টেবল সাগর দেব এবং টেকনাফ থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

রায়ে খালাস প্রাপ্তরা হলেন- এপিবিএন সদস্য এসআই মোহাম্মদ শাহজাহান, কনস্টেবল মোহাম্মদ রাজীব ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, বরখাস্ত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি এবং রামু থানায় একটি মামলা করে। সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান এবং মাদক আইনে এসব মামলা হয়। টেকনাফ থানায় করা দুই মামলায় নিহত সিনহার সঙ্গী সাইদুল ইসলাম সিফাতকে আসামি করা হয়। আর রামু থানায় মাদক আইনে করা মামলায় আসামি করা হয় নিহত সিনহার অপর সফরসঙ্গী শিপ্রা দেবনাথকে।

২০২০ সালের ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে মামলা করেন। এতে প্রধান আসামি করা হয় টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে। ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। একইদিন পুলিশের করা মামলা তিনটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ১৫ আসামির মধ্যে ওসি প্রদীপসহ তিনজন ছাড়া বাকি ১২ জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

স্যোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর...