1. eliusmorol@gmail.com : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ
  2. rahadbd300@gmail.com : rahad :
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৪০ অপরাহ্ন

✒মা উ স?

মো: ইলিয়াস হোসেন
  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২৫ মে, ২০২০
  • ৩৩১ বার সংবাদ টি দেখা হয়েছে

✒মা উ স(Mouse)?

⇨সম্পাদনায়ঃ মোড়ল মোঃ ইলিয়াস হুসাইন

এটি অনেকটা ইঁদুরের মতো দেখতে তাই এর নাম মাউস। এক সরু প্রান্ত থেকে একটি তার সরাসরি সিপিইউ-এ সংযুক্ত থাকে। মাউসের উপরিভাগে দুটো চাপ দেওয়ার জায়গা আছে (অবশ্য অনেক মাউসে তিনটিও থাকে), এর ডান পাশের বোতামকে বলা হয় রাইট বাটন আর বাম পাশের বোতামকে বলা হয় লেফট বাটন। কম্পিউটার ওপেন করা থাকলে মাউস নাড়া দিলে একটি তীর চিহ্ন নড়া চড়া করে এটাকে বলা হয় মাউস পয়েন্টার। আর এই নাড়া চাড়া করাকে বলা হয় মাউস ড্রাগ করা। সাধারণত কোন ফাইল বা ফোল্ডারের আইকন সিলেক্ট বা নির্বাচন করতে হলে মাউসের পয়েন্টার তার ওপর নিয়ে মাউসের বাম পাশের বোতাম একবার চাপ দিলে তাকে বলে সিঙ্গল ক্লিক। আর ওটাকে ওপেন করতে মাউসের বাম পাশের বোতাম ঘনঘন দুবার চাপ দিতে হয় এই ঘনঘন দুবার চাপ দেওয়াকে বলে মাউসের ডবল ক্লিক। মাউসের ডান পাশের বোতাম চাপলে তাকে বলে রাইট ক্লিক। এই রাইট ক্লিক করে সাধারণত কোন ফাইল ফোল্ডার সিলেক্ট বা খোলা যায় না তবে এটা ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক কিছু মেনু কমান্ড তালিকা পাওয়া যায়।

ইনপুট ডিভাইস হিসেবে মাউস কি-বোর্ডের ব্যবহারকে অনেক সীমিত করেছে। মাউসের ব্যবহার কম্পিউটার অপারেশনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। কার্যনীতির উপর ভিত্তি করে মাউসকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

(ক) মেকানিক্যাল মাউস (Mecanical Mouse) :

মেকানিক্যাল মাউসের মধ্যে একটি ছোট বল থাকে। মাউস নাড়াচাড়া করলে বলটি নড়াচড়া করে। বলটি দুটি রোলারের মাধ্যমে দুটি সুইচকে অন অফ করে কারসরের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে।

(খ) অপটিক্যাল মাউসঃ

অপটিক্যাল মাউসে অবশ্য ছোট বলটি থাকেনা তার পরিবর্তে থাকে লাইটবীম। বিশেষ ধরনের মাউস প্যাডের সাহায়্যে এই লাইটবীম কারসরের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে।
বটন সংখ্যার উপর নির্ভর করে মাউস দুই ধরনের হয়। যথা-

১। দুই বা তিন বাটনের মাউস (আইবিএম কম্পিউটারের জন্য)।

২। এক বাটনের মাউস (মেকিনটোশ কম্পিউটারের জন্য)।

মাউস চলাচল নির্ণয়ের প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে মাউসকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যথা-

১। যান্ত্রিক মাউস

২। আলোক যান্ত্রিক মাউস ও

৩। আলোকীয় বা অপটিক্যাল মাউস।

কম্পিউটার সিস্টেমের সংঙ্গে মাউসের সংযোগ পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে মাউসকে চার শ্রেণীতে ভাগ করা যায়ঃ

১। সিরিয়াল মাউস

২। বাস মাউস

৩। প্রোপ্রাইটারি মাউস

৪। তারবিহীন মাউস

প্রধানত দু’ধরনের তারবিহীন মাউস পাওয়া যায়ঃ

১। ইনফ্রারেড তারবিহীন মাউস ও

২। রেডিও সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ তারবিহীন মাউস।

(চলবে)

স্যোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর...