1. eliusmorol@gmail.com : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ
  2. rahadbd300@gmail.com : rahad :
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

।।স্মার্টফোন ল্যাপটপে কেন গরিলা গ্লাস ব্যবহার করি? কাচের সঙ্গে এর পার্থক্য কোথায়?

মো: ইলিয়াস হোসেন
  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৪৮৩ বার সংবাদ টি দেখা হয়েছে

।।স্মার্টফোন ল্যাপটপে কেন গরিলা গ্লাস ব্যবহার করি? কাচের সঙ্গে এর পার্থক্য কোথায়?

।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক।।

ইদানীং স্মার্টফোন, স্মার্ট টিভি, ল্যাপটপ ইত্যাদি প্রায় সবগুলোতেই গরিলা গ্লাস ব্যবহার করা হয়। এ কথা আমরা অনেকেই জানি যে, টাচ সেন্সরযুক্ত আধুনিক স্মার্ট ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের সুরক্ষার স্বার্থে এই গরিলা গ্লাস ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি গরিলা গ্লাস কী, অন্যান্য সাধারণ কাচের সঙ্গে এর ফারাক কোথায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

গরিলা গ্লাস একটি বিশেষ ধরনের কাচ যা করনিং আইএনসি (Corning Inc) কোম্পানির তৈরি, যা বিশেষ করে স্মার্ট ডিভাইস যেমন—ল্যাপটপ, মনিটর, স্মার্টফোন, টিভি ইত্যাদির স্ক্রিন প্রটেক্ট বা সুরক্ষিত করার জন্য ব্যবহূত হয়ে থাকে।

১৯৫২ সালের দিকে, করনিং সংস্থার এক বিজ্ঞানী এক বিশেষ ধরনের কাচ তৈরি করেন, যা সে যুগের সবচেয়ে শক্তিশালী কাচ ছিল। এটি অ্যালুমিনিয়াম থেকে অনেক পাতলা, সাধারণ কাচের তুলনায় অনেক শক্ত এবং স্টিলের মতোই কঠিন ছিল। এ হলো গরিলা গ্লাসের জন্মের কথা। বর্তমানের গরিলা গ্লাস কিন্তু অনেকটাই আলাদা। এতে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে আর এটি আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী।

২০০৮ সালে ফার্স্ট জেনারেশন করনিং গরিলা গ্লাস তৈরি করা হয় এবং পরে ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে এর মধ্যে প্রযুক্তিগত অনেক উন্নতিসাধন করা হয়। ২০১৬ সালের জুলাই মাস নাগাদ এই গরিলা গ্লাসের ফিফথ (৫ম) জেনারেশন বাজারে আসে।

গরিলা গ্লাস কীভাবে কাজ করে?

করনিং সংস্থা যে নতুন ধরনের কাচ তৈরি করেছে, তার আসল নাম ‘অ্যালুমিনোসিলিকেট’ Aluminosilicate। সাধারণ যে কোনো কাচের মতো এটিও তৈরি করা হয় মূল উপাদান বালি বা স্যান্ড থেকে। তাছাড়া এই গ্লাসে ব্যবহার করা হয় অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন ও অক্সিজেন। গ্লাসটির প্রয়োজনীয় মডেল তৈরি করে নেওয়ার পরে একে ৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি তাপমাত্রার গলিত লবণ মিশ্রণের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর নানা রকম রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলেই গরিলা গ্লাস অন্যান্য কাচের তুলনায় আরো শক্তিশালী এবং নমনীয় হয়ে ওঠে।

সাধারণ অ্যালুমিনোসিলিকেট আপনার স্মার্টফোনের স্ক্রিন প্রটেক্টর হিসেবে সহজেই কাজে লাগাতে পারেন, কিন্তু তা কখনোই গরিলা গ্লাসের মতো শক্তিশালী, স্ক্র্যাচ প্রুফ আর নমনীয় হবে না। গরিলা গ্লাসের প্রস্তুতকারী সংস্থা করনিংয়ের দাবি, এই গরিলা গ্লাস রিসাইকেলেবল এবং এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক নয়। তাই ইদানীং স্মার্টফোন, স্মার্টটিভি, ল্যাপটপ ইত্যাদির টাচ স্ক্রিনকে বিভিন্ন ছোটোখাটো আঘাত, দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচাতে গরিলা গ্লাস ব্যবহারের চল অনেকটাই বেড়েছে।

স্যোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর...