1. eliusmorol@gmail.com : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ
  2. rahadbd300@gmail.com : rahad :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন

।।সাভারে দোকান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সাজানো চাঁদাবাজি ও হত্যা চেষ্টা মামলা-পর্ব ২।।

মো: ইলিয়াস হোসেন
  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২০
  • ৪৮৫ বার সংবাদ টি দেখা হয়েছে

।।সাভারে দোকান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সাজানো চাঁদাবাজি ও হত্যা চেষ্টা মামলা-পর্ব ২।।

।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগঃঃনিজস্ব প্রতিনিধি।।

এই হারুন অর রশিদ-ই এখন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে মারধরসহ রামদা দিয়ে কোপ মারার মতো মিথ্যে মামলা সাজিয়ে তুফান-কে ফাঁসিয়েছেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। এস আই অপূর্ব দত্তও জানান, একজন-কে রামদা দিয়ে কুপিয়েছে। ভিকটিম এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

সাপ্তাহিক দূর্নীতি সমাচার-এর প্রতিবেদক-কে থানার পাশেই হাসপাতাল বলে ভিকটিমকে দেখে আসার জন্য বলেন।

তবে, প্রকাশিত উক্ত প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে- অনুসন্ধানী দল হাসপাতালে গিয়ে রামদা দিয়ে কোপানো কিংবা গুরুত্বর আঘাতের কোন চিহ্ন খুঁজে পায়নি মামলার বাদী হারুন অর রশিদের শরীরে। তাহলে কেন এই নাটক! কেন এই পুলিশের হয়রানী! এমন প্রশ্নটি যে কেউ করতেই পারে! আর এমন প্রশ্ন করা অবাঞ্ছনীয় হবে না নিশ্চয়! পুলিশ-কে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে অথবা অন্য কোন অসৎ পন্থায় এই মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানা গেছে।

দূর্নীতি সমাচার-এর অনুসন্ধানী টিম সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে রামদার কোপে গুরুত্বর আহত হওয়া হারুন অর রশিদ নামের সেই ব্যক্তি বেডে বসে দিব্যি একজন সুস্থ্য-স্বাভাবিক মানুষের মতো গরুর গোস্ত দিয়ে নিজে হাতে তুলে ভাত খেতে দেখেছে। খোশ গল্পগুজবে মেতে উঠেছেন শুভাকাঙ্খীদের সাথে। সাপ্তাহিক দূর্নীতি সমাচার-এর অনুসন্ধানী দলের কাছে মনে হচ্ছে নাটকটির রচয়িতা নিশ্চয় কোন পিএইচডি ডক্টরেট নেয়া ব্যক্তিই হবে। কারণ, আহত হওয়া ব্যক্তির কার্যকলাপ আমাদের ক্যামেরায় রেকর্ড থাকলেও আমাদের অনুসন্ধানী নাকে ভেসে এলো রহস্যের গন্ধ! কিন্তু, প্রশ্ন থেকেই যায়- গন্ধ যাই হোক না কেন, পিএইচডি ডক্টরেট নেয়া শিক্ষিত মানুষ কি এমন নোংরা নাটকের স্ক্রীপ্ট লিখবেন? স্ক্রীপ্ট রাইটার যেই হোক না কেন কথা দিচ্ছি আমাদের অনুসন্ধানী দল তা খুঁজে বের করে সত্য প্রকাশ করবেই!

কথিত রামদার হামলায় আহত হওয়া হারুন অর রশিদ তুফানের বিরুদ্ধে ১০-১২ টা সাধারণ ডায়েরী করার কথা বললেও কোন কপি দেখাতে পারেননি। সোলেমান রামদা নিয়ে আসে, তুফান লাঠি দিয়ে পায়ে আঘাত করে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিকিউরিটি ইমরানও এ ঘটনার সাথে জড়িত বলে হারুন অর রশিদ জানান। তবে, এসময় তার সাথে থাকা কুতুব হিলালী স্বীকার করেন কোন জিডি এন্ট্রি হয়নি। তুফান মেয়েদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনাসহ মাদক এবং জুয়ার আসর বসিয়ে অনেক অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

তবে, সাপ্তাহিক দূর্নীতি সমাচার-এর অনুসন্ধানী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে চাঁদাবাজী, হত্যাচেষ্টার হামলা, অসামাজিক কার্যকলাপ কিংবা মাদক-জুয়ার কোন সত্যতা পায়নি। এমনকি, উক্ত সোসাইটিতে সিকিউরিটি ইমরান নামে কেউ দায়িত্ব পালনও করে না বলে জানা গেছে। সরেজমিনে কুমারখোদার গোলাপগ্রাম লিজি সোসাইটি-তে গিয়ে প্রায় শতাধিক পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাংবাদিক পরিচয় দানকারী একদল ভূমিদস্যুরা ভূমি দখল করতে আবুল হোসেন তুফান-কে ফাঁসিয়েছে। তারা বিভিন্ন ভাবে তুফান-কে ফাঁসাতে উঠেপড়ে লেগেছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় আবুল হোসেন তুফান তার মুদি দোকানেই অবস্থান করছিলেন। মাহবুবার রহমানের প্লটে কাজ করার সময় হারুন অর রশিদ নিজেই কাজের বাধা দিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করেছেন বলে জানা গেছে। সেখানে লেবারদের সাথে তার শুধু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে বলে জানা যায়। এসময়, বসবাসরত বাসিন্দারা তুফানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ এলাকার শান্তি বজায় রাখতে দ্রুত প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
(চলবে)
☞সৌজন্যেঃ সাপ্তাহিক দূর্নীতি সমাচার।

স্যোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর...