1. eliusmorol@gmail.com : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ
  2. rahadbd300@gmail.com : rahad :
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

।।ভাঙ্গুড়ায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাৎ।।

মো: ইলিয়াস হোসেন
  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৪৭০ বার সংবাদ টি দেখা হয়েছে

।।ভাঙ্গুড়ায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাৎ।।
রাজিবুল করিম রোমিও, ভাংগুড়া ( পাবনা), প্রতিনিধি। সহযোগীতায়ঃ এস,এম রুবেল, ব্যুরো চীফ রাজশাহীঃ ডিভিশন এন্ড ক্রাইম রিপোর্টাস।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ট্রেজারি অফিসের নিরীক্ষণ কর্মকর্তা আনছার আলীর বিরুদ্ধে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার রাতে পাথরঘাটা গ্রামে তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে ভুক্তভোগী দুই যুবক ও তাঁদের পরিবার। এ সময় গ্রামের লোকজন তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। পরে টাকা ফেরত পাওয়ার আশ্বাসে ঘেরাওকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ট্রেজারি অফিসের নিরীক্ষণ কর্মকর্তা আনসার আলী ও যুব উন্নয়ন অফিসের অফিস সহকারী সাঈদ আলী সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে গত বছর অন্তত পাঁচজন বেকার যুবকের কাছ থেকে পাঁচ থেকে আট লাখ টাকা করে নেন। পরে তাঁদের বিভিন্ন অফিসে যোগ দেওয়ার নিয়োগপত্রও দেন।

ভুক্তভোগী পাথরঘাটার মৃত আফছার আলীর ছেলে রাজিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, গত বছরের জুন মাসে আনসার আলীর বাড়িতে গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে চাকরির জন্য পাঁচ লাখ টাকা দেন তিনি। পরে নভেম্বর মাসে তাঁকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। কিন্তু কর্মস্থলে যোগ দিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন নিয়োগপত্রটি ভুয়া। পরে আনসার আলীর কাছে টাকা ফেরত চান তিনি। কিন্তু আনসার আলী টাকা নেওয়ার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তাই বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার রাতে তাঁরা (রাজিউল) তাঁর বাড়ি ঘেরাও করেন। পরে আনসার আলী ও তাঁর স্ত্রী লিপি খাতুন টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁরা সেখান থেকে চলে আসেন।
আক্ষেপের সুরে রাজিউল বলেন, ‘আনসার আলীর কথায় সরকারি চাকরির লোভে পড়ি। তাই বাবার দেওয়া শেষ সম্বল জমিটুকু বিক্রি করে তাকে পাঁচ লাখ টাকা দিই। এখন চাকরি পেলাম না, টাকাও ফেরত দিচ্ছে না।’
আরেক ভুক্তভোগী মুজাহিদুলের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ অফিসে নতুন সৃষ্ট প্রাণী সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে গত বছরের জুন মাসে ছয় লাখ টাকা নেন আনসার আলী ও সাঈদ আলী। কর্মস্থলে যোগ দিতে গেলে তাঁর নিয়োগপত্রটিও ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ ঘটনায় তিনি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। এর পর থেকেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন সাঈদ আলী। অভিযোগটির তদন্ত চলছে।
মুজাহিদুল বলেন, ‘অনেক দেনদরবার করে কিছু টাকা ফেরত পেয়েছি। এখন বাকি টাকা ফেরতসহ এই প্রতারকদের বিচার চাই।’
এ ছাড়া পাথরঘাটার হাসান প্রামাণিকের ছেলে হাসিনুর রহমানও সাড়ে চার লাখ টাকা দেন বলে অভিযোগ। পরে স্থানীয় রাজনীতিবিদদের মাধ্যমে তিনি আনসার আলীর কাছ থেকে কিছু টাকা ফেরত পান।
অভিযোগ অস্বীকার করে আনসার আলী বলেন, ‘আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা নিইনি। তবে গ্রামের মানুষ বলে অনেককে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সবাই মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।’ অন্যদিকে আত্মগোপনে থাকায় আরেক অভিযুক্ত সাঈদ আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্যোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর...