1. eliusmorol@gmail.com : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ
  2. rahadbd300@gmail.com : rahad :
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১২:৪৮ অপরাহ্ন

।।বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে ঘুষ দূর্নীতির অভিযোগ।।

মো: ইলিয়াস হোসেন
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪৮০ বার সংবাদ টি দেখা হয়েছে

।। কাস্টমস হাউসের সহকারী প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে ঘুষ দূর্নীতি অভিযোগ।।

সোহাগ হোসেন বেনাপোল থেকেঃ

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী প্রোগ্রামার আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য ও ব্যাপক দূনির্তীর অভিযােগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। বছরে কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্যের অভিযােগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযাগে বলা হয়, গত ৪ বছর ধরে একই স্থানে দায়িত্ব পালন কালে তিনি ব্যবসায়ীদর জিম্মী করে জোর করে আদায় করছেন ঘুষের টাকা। চাহিদা মত টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তিনি ব্যবসায়ীদের ফাইল আটকিয়ে নানাভাবে হয়রানি করে থাকেন। তার হয়রানির কারনে অনেক ব্যবসায়ী বেনাপোল বন্দর থেকে চলে গেছে অন্যত্র।

মোঃ রুহুল আমিন নামে একজন ব্যবসায়ী টেলিফোনে অভিযাগ করে বলেন, বেনাপোল কাস্টমস হাউসে প্রতিদিন আমদানি রফতানি পন্য খালাশের জন্য প্রায় ৪শ বিল অব এন্ট্রি (আমদানি-রফতানি) দাখিল করা হয়। প্রতিটি বিল অব এন্ট্রি দাখিল বাবদ সহকারী প্রোগ্রামার আক্তারুজ্জামানকে ৩০ টাকা করে দিতে হয়। সে হিসাবে বি/ই থেকে প্রতিদিনের গড় আয় প্রায় ৮ হাজার টাকা।

বিল অব এন্ট্রি হিসাব করে সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের একজন কর্মচারী সন্ধ্যায় তার টাকা পৌঁছে দেন তার দফতরে। তাছাড়া লাইসেন্স নবায়নের জন্য সর্বনিন্ম ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত তাকে ঘুষ দিত হয়। বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সিএন্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্সের সংখ্যা সাড়ে ৮শ। লাইসেন্সের পারফরমেন্স,বিন আন লক, আইআরসি যাচাই, রড চ্যানেল কাটানো বাবদ তাকে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ দিতে হয়। ঘুষ দূর্নীতি ও দূর্ব্যবহারের ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের অভিযােগ সম্পর্কে সহকারী প্রোগ্রামার আখতারুজ্জমান বলেন,আমার বিরুদ্ধে দূর্ণীতির বা ঘুষ বানিজ্যের যে অভিযােগ উঠেছে তা ঠিক না এবং টাকা নেওয়ার যে অভিযােগ উঠেছে তা মনগড়া।

তিনি স্বদম্ভে বলেন তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় লিখে কিছুই হবেনা। সাংবাদিকদের গোনার সময় তার নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের একজন জানান, আক্তারুজ্জামানকে আমরা বিল অব এন্ট্রি প্রতি ৩০ টাকা করে ঘূষের টাকা দিয়ে থাকি দীর্ঘদিন থেকে । তারপরও তিনি আমাদের সদস্যদের কাছ থেকে জোর করে নানাভাবে হয়রানি করে টাকা আদায় করছেন তা মোটেই গ্রহনযোগ্য নয়।

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় তিনি বসবাস করছন স্ব-পরিবারে। তিনি বাড়ি থেকে বেনাপোল অফিস করেন। প্রতি বৃহস্পতিবার তিনি বাড়িতে যান শনিবার বিকেলে আবার ফিরে আসেন বেনাপোল। কলারোয়া থেকে লাভলুর রহমান নামে জনৈক ব্যক্তি জানান, আক্তারুজ্জামান কলারোয়ায় বসবাস করেন। গত ৫ বছর তিনি নামে বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। কিভাবে হলেন সে

টা আমরা জানিনা। তবে কাস্টমসে চাকরী করেন বলে শুনেছি। তিনি ও তার পরিবার জামায়াত শিবির পন্থি বলে আমরা জানি।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা জানান, ঘুষ দূর্নীতির ব্যাপারে সহকারী প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযােগ সম্পর্কে আমার জানা নেই । তবে বিষয়টি সত্য হল তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দূর্ণীতি প্রতিরোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে জরুরী ভিত্তিতে দুদকের মহাপরিচালক সহ মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে ব্যবসায়ী মহলের পক্ষ থেকে।

স্যোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর...