1. eliusmorol@gmail.com : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ : দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ
  2. rahadbd300@gmail.com : rahad :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

।।টিফিনের টাকা জমিয়ে সহপাঠীর মায়ের চিকিৎসায় পাশে দাড়িয়েছেন শিক্ষার্থীরা।।

মো: ইলিয়াস হোসেন
  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৬৪৮ বার সংবাদ টি দেখা হয়েছে
☞টিফিনের টাকা জমিয়ে সহপাঠীর মায়ের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়িয়েছেন শিক্ষার্থীরা☜

।।টিফিনের টাকা জমিয়ে সহপাঠীর মায়ের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়িয়েছেন শিক্ষার্থীরা।।
।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ অনলাইন ডেস্ক।।

টিফিনের টাকা জমিয়ে সহপাঠীর অসুস্থ মায়ের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়িয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এমন মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে গাজীপুরের শ্রীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে জমানো পাঁচ হাজার টাকা তারা তুলে দেন সহপাঠীর অসুস্থ মায়ের হাতে। এ উদ্যোগ এখানেই শেষ নয়, সহপাঠীর মা সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিনের টিফিনের টাকা এভাবে জমিয়ে চিকিৎসার কাজে দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

টিফিনের টাকা জমিয়ে সহপাঠীর মায়ের চিকিৎসায় পাশে শিক্ষার্থীরা
জানা যায়, মা অসুস্থ থাকায় দুই সপ্তাহ স্কুলে আসতে পারেনি অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মহিমা ও মাকসুদা দুই বোন। তাদের মায়ের নাম ইয়াসমিন আক্তার (৪৫), বাবা নেই। শুরুতে মাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করানো হয়েছে। এরপর আরেকটু ভালো চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু টাকার অভাবে তা আর সম্ভব হয়নি। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মহিমা ও মাকসুদা।

শিক্ষার্থীদের মা ইয়াসমিন দক্ষিণ ভাংনাহাটি এলাকার ইউনিলায়েন্স কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তার উপার্জনেই সংসার ও মেয়েদের পড়ালেখা চলত তাদের। কিন্তু হঠাৎ তাদের মা যকৃতের অসুখে পড়েন। এরই মধ্যে বন্ধও হয়ে যায় কারখানাটি। তাদের মা অসুস্থ হয়ে পড়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে তারা।

ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাহমিনা, হুমায়রা ও সাদিয়া জানায়, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে মহিমা ও মাকসুদা বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল না। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি জেনেছেন তারা। পরে সহপাঠীরা সবাই মিলে ওই উদ্যোগ নেয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘টাকার অঙ্ক যাই হোক, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এ উদ্যোগের কথা জেনে আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। শিক্ষার্থীদের টিফিনের খরচ বাঁচিয়ে জমানো টাকা তুলে দেয়ার সময় একজন শিক্ষককে নিয়ে আমিও গিয়েছিলাম সেখানে। নিজের চোখে আমার ছাত্রীদের এমন কাজ দেখে গর্বে বুকটা ভরে গেছে।

স্যোসিয়াল মিডিয়াতে শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর...